বকখালি ছোট জায়গা; বেশিরভাগ দর্শনীয় স্থান একে অপরের থেকে অল্প দূরে। এই পাঁচটি জায়গায় সৈকত, জঙ্গল, বন্দর, সমুদ্র আর গ্রাম সবই দেখা হয়ে যায়।

১. বকখালি সৈকত

প্রধান সৈকত চওড়া ও সমতল, বর্ষার বাইরে বেশিরভাগ দিন মৃদু ঢেউ। নির্জন বালির জন্য ফ্রেজারগঞ্জের দিকে হাঁটুন, আর বিকেলের আলো পর্যন্ত থাকুন।

২. হেনরি আইল্যান্ড

বকখালির কাছেই হেনরি আইল্যান্ড, প্রবেশপথে গাছের প্রাকৃতিক সুড়ঙ্গ। ম্যানগ্রোভের খাঁড়ির উপর কাঠের সাঁকো, জঙ্গল ও সমুদ্রের উপর নজর রাখা ওয়াচটাওয়ার, আর সৈকতে লাল কাঁকড়ার ছোটাছুটি।

৩. ফ্রেজারগঞ্জ

১৯০৩ থেকে ১৯০৮ পর্যন্ত বাংলার ছোটলাট স্যর অ্যান্ড্রু ফ্রেজারের নামে নামকরণ। এখানে আছে সরকারি মাছের বন্দর, ছোট বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র আর একটি বাড়ির ধ্বংসাবশেষ, যাকে স্থানীয়রা ফ্রেজারের বাড়ি বলে জানেন।

৪. জলপথে জম্বুদ্বীপ

বকখালি থেকে প্রায় ৮ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে বনাঞ্চলে ঢাকা জম্বুদ্বীপ, যেখানে পর্যটকদের নামা নিষেধ। আবহাওয়া ভালো থাকলে ফ্রেজারগঞ্জ থেকে নৌকা দ্বীপের চারপাশ ঘুরিয়ে আনে।

৫. বিশালাক্ষী মন্দির

দেবী বিশালাক্ষীর গ্রাম্য মন্দির একটি স্থানীয় উপাসনাস্থল। পুজোর সময় স্থানীয়ভাবে জেনে নিন, আর শ্রদ্ধার সঙ্গে দর্শন করুন।

সূত্র: বকখালি, ফ্রেজারগঞ্জ, হেনরি আইল্যান্ড, জম্বুদ্বীপ ও হাতানিয়া-দোয়ানিয়া সেতু বিষয়ক উইকিপিডিয়া নিবন্ধ (নভেম্বর ২০২৬-এ দেখা)। যাত্রার সময় আনুমানিক; পরিস্থিতি বদলায়, স্থানীয়ভাবে যাচাই করুন।